কর্তার ভূত গল্পের বড় প্রশ্ন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আজকে আমরা এই পোস্ট এ কর্তার ভূত গল্পের বড় প্রশ্ন গুলি বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো ।

কর্তার ভূত গল্পের বড় প্রশ্ন

“কেননা ভবিষ্যৎকে মানলেই তার জন্যে যত ভাবনা, ভূতকে মানলে কোনাে ভাবনাই নেই;” -—প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে

বুড়ো কর্তা মারা গেলে, দেশের সমস্ত লোকেরা চিন্তার মধ্য পড়ে যায় । দেশের সমস্ত লোকেরা মনে করতে থাকেন যে বুড়ো কর্তা চলে যাওয়ার পর তারা সঙ্গহীন ও অভিভাবক হীন হয়ে পড়বে । একথা ভেবেই তারা প্রচণ্ড চিন্তার মধ্যে থাকে । একথা শুনে মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধ দেশের লোকেরা তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন । এমন সময় স্বয়ং ভগবান দয়াপরবশ হয়ে সমস্ত দেশবাসীকে জানালেন যে তাদের চিন্তার কোনো কারণ নেই এবং বুড়ো কর্তা মারা যাওয়ার পর সে সকল দেশবাসীর ঘাড়ের ওপর ভূত সেজে বাস করবেন । বুড়ো কর্তার অভিভাবকত্বে থাকার খবর পেয়ে দেশবাসী আবার নিশ্চিন্ত হয় । দেশবাসীর এই ছিন্তাহীনতার কথা বলতে গিয়েই লেখক এই মন্তব্য টি করেছেন – “কর্তার ভূত” গদ্যাংশের “কেননা ভবিষ্যৎকে মানলেই তার জন্যে যত ভাবনা, ভূতকে মানলে কোনাে ভাবনাই নেই;”

“কর্তা বলেন, সেখানেই তো ভূত” – কোন প্রসঙ্গে এবং কেন কর্তা এ কথা বলেছেন তা আলোচনা করো।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত গল্পে কিছু মানুষ দিনের বেলায় ভুতের নায়েবের ভয়ে চুপ করে থাকে। আবার তারাই বুড়ো কর্তার সামনে হাত জড়ো করে জিজ্ঞাসা করে তাদের ছাড়ার সময় হয়েছে কিনা।

এই কথার উত্তরে বুড়ো কর্তা জানান যে তিনি তাদের ধরে রাখেন নি এমনকি ছেড়েও দেননি। বরং তারা যদি বুড়ো কর্তা কে ছেড়ে দেয় তবেই তারা বুড়ো কোথা থেকে ছাড়া পাবে।

বুড়ো কর্তার ভয়ে যখন কিছু লোক ছাড়ার কথা তার কাছে জিজ্ঞাসা করে তখন তার উত্তরে তিনি জানান, তিনি ধরা বা ছাড়ার মালিক নয়। এর উত্তরে আবার লোক গুলো বলে ওটাই তো ভয়। কর্তার ভূত গল্পে এই প্রসঙ্গে প্রশ্নে উদ্ধৃত উক্তিটি উক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন –

ধ্বনি কাকে বলে? ধ্বনি কয় প্রকার ও কি কি?

মহুয়ার দেশ কবিতার প্রশ্ন উত্তর MCQ & SAQ

বিভক্তি কাকে বলে? বিভক্তি কয় প্রকার ও কি কি?

শিকার কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর MCQ & SAQ ক্লাস 12

Leave a Comment