পটাশিয়াম কে ক্ষার ধাতু বলা হয় কেন – রসায়ন

হ্যালো বন্ধুরা, আজকে আমরা ক্ষার ধাতু কাকে বলে এবং মৃৎ ক্ষার ধাতু কাকে বলেপটাশিয়াম কে ক্ষার ধাতু বলা হয় কেন তা নিয়ে আলোচনা করছি ।

পটাশিয়াম কে ক্ষার ধাতু বলা হয় কেন

পটাশিয়াম কে ক্ষার ধাতু বলা হয় কেন?

পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহ কে ক্ষার ধাতু বলা হয় । এদের প্রত্যেক কেই ক্ষার ধাতু বলা হয় কারণ এরা প্রত্যেক এই জলের সাথে বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে । পটাশিয়াম গ্রুপ-1 এর মৌল ও জলের সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার দ্রবণ তৈরি করে ।

এই কারণেই পটাসিয়াম কে ক্ষার ধাতু বলা হয় ।

ক্ষার ধাতু কাকে বলে ?

যে সকল ধাতু জলের সাথে বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার উৎপন্ন করে তাদের ক্ষার ধাতু বলা হয় ।

পর্যায় সারণির এক নম্বর গ্রুপে এদের অবস্থান।
ক্ষার ধাতু ৬টি যথা – লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs), এবং ফ্রান্সিয়াম(Fr)

মৃৎ ক্ষার ধাতু কাকে বলে?

পর্যায় সারণির গ্রুপ -২ এর মৌল সমূহ কে মৃৎক্ষারীয় ধাতু বলে। গ্রুপ- 2 এর মৌল ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামকে মাটির উপাদান হিসেবে পাওয়া যায়। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এর সাথে গ্রুপ -২ এর অন্য মৌল গুলির ধর্মের সাদৃশ্য থাকার কারণে এদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। মৃৎ ক্ষার ধাতুর সক্রিয়তা ক্ষার ধাতুর থেকে কিছুটা বেশী ।

কোন ক্ষার ধাতুর আকার সবচেয়ে বড়

পটাসিয়াম (K) এর ক্ষার ধাতুর আকার সবচেয়ে বড় এবং লিথিয়াম(Li) এর আকার সবচেয়ে ছোট ।

একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের নাম

একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের নাম রেডিয়াম ও ইউরেনিয়াম ।

তেজস্ক্রিয় রশ্মি পরমাণুর কোন অংশ থেকে নির্গত হয়

তেজস্ক্রিয় রশ্মি পরমাণুর মৌলের নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয় ।

তেজস্ক্রিয় পদার্থ কাকে বলে?

যে সকল পদার্থ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে বিভিন্ন ধরণের রশ্মি যেমন- আলফা, বিটা, গামা বিকিরণ করে অন্য মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় সেই পদার্থগুলিকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে । যেমন – রেডিয়াম, ইউরেনিয়াম, কোবাল্ট, থোরিয়াম ইত্যাদি ।

তেজস্ক্রিয় পদার্থ দুই প্রকার – ১) প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ , ২) কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় পদার্থ ।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে

মৌলের যে সমস্ত আইসোটোপ বিভিন্ন ধরনের রশ্মি (α, β, γ) বিকিরণ করে অন্য মৌলের পরমাণুতে পরিণত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর ব্যবহার

টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও তা নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার কোষকলাকে ধ্বংস করা হয় । এছাড়া রক্তের লিউকোমিয়ায় রোগের চিকিৎসায় ব্যাবহার করা হয় ।

আরও পড়ুন –

ফেনল কি? ফেনল এর ব্যাবহার লেখ?

অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কাকে বলে ? কয় প্রকার ও কি কি ?

প্রোপেন কি? প্রোপেন এর সংকেত ও ব্যবহার কি ?

সংকর ধাতু কাকে বলে , সংকর ধাতুর বৈশিষ্ট্য

Leave a Comment