গুপ্ত যুগকে সুবর্ণ যুগ বলা কি যুক্তিগত?

হ্যালো বন্ধুরা, আজকে আমরা গুপ্ত যুগকে সুবর্ণ যুগ বলা কি যুক্তিগত অথবা গুপ্তযুগকে সুবর্ণযুগ বলা হয় কেন এই প্রশ্নের উত্তরটি বিস্তারিত ভাবে এই পোস্ট এ আলোচনা করছি । ইতিহাসের এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং পরীক্ষাতে প্রায়ই এই প্রশ্নটি এসে থাকে তাই প্রশ্নটি মন দিয়ে পড়ুন এবং বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করুন ।

এর আগের পোস্ট এ আমরা বাংলার নবজাগরণের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও ফলাফল আলোচনা কর তা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম ।

গুপ্ত যুগকে সুবর্ণ যুগ বলা কি যুক্তিগত

গুপ্ত যুগকে সুবর্ণ যুগ বলা কি যুক্তিযুক্ত?

গুপ্তযুগের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটলেও এই যুগকে সুবর্ণযুগ মানতে অনেকেই রাজি নয় । বলা হয় যে,

১) এই যুগের সাংস্কৃতিক বিকাশ কেবলমাত্র সমাজের উচ্চশ্রেণীর মধ্যেই আবদ্ধ ছিল ।

২) এইযুগে বহু প্রাচীন নগর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ।

৩) সম্পদ মুষ্টিমেয় মানুষের কুখ্যিগত হয়ে পড়ে ।

৪) কৃষক ও নারীদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে ।

৫) বর্ণব্যাবস্থা কঠোরতর হয় এবং শুরু হয় সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবক্ষয় ।

কালিদাস কে ছিলেন

গুপ্তযুগের একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার ছিলেন কালিদাস । তিনি দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের অলংকৃত করেছিলেন বলে কথিত আছে । তিনি মালবিকাগ্রিমিত্রম, বিক্রমউর্বশী ও অভিজ্ঞান শকুন্তলম নামে তিনটি নাটক ও রঘুবংশ, মেঘদূত, কুমারসম্ভব ও ঋতুসংহার নামে চারটি কাব্য রচনা করেন । এগুলি সাংস্কৃতিক সাহিত্যের অমুল্য সম্পদ ।

বিশাখাদত্ত কে ছিলেন

গুপ্তযুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেন বিশাখাদত্ত । তিনি মুদ্রারাক্ষস ও দেবী চন্দ্রগুপ্তম নামে নামে দুটি নাটক রচনা করেন । মুদ্রারাক্ষস থেকে চাণক্য এর সাহায্যে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সিংহাসন আরোহণের কাহিনী ও দেবী চন্দ্রগুপ্তম থেকে গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের কাহিনী জানা যায় । প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাসে বিশাখাদত্ত একটি স্মরণীয় নাম ।

আরও পড়ুন-

খানুয়ার যুদ্ধ কবে হয়, গুরুত্ব ও ফলাফল

তৃতীয় বিশ্ব বলতে কী বােঝায় ?

পঞ্চশীল নীতি বলতে কি বোঝ ? এর প্রবক্তা কে ?

Leave a Comment