গ্রন্থি কন্দ কাকে বলে, স্ফীত কন্দ কাকে বলে

আজকে আমরা গ্রন্থি কন্দ কাকে বলে, স্ফীত কন্দ কাকে বলে, কন্দ কাকে বলে এবং গুরিকন্দ কাকে বলে তা নিয়ে আলোচনা করছি ।

গ্রন্থি কন্দ কাকে বলে

যেসব ভুনিম্নস্থ কাণ্ড খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে রসালো, স্ফীত ও অনিয়তাকার হয়, কাণ্ডে পর্ব, পর্বমধ্য ও শল্কপত্র ধারণ করে তাদের গ্রন্থি কন্দ বা রাইজোম বলে

উদাহরণ – আদা, হলুদ, ফার্ন প্রভৃতি

গ্রন্থি কন্দের বৈশিষ্ট্য

১) মাটির নীচে সমান্তরাল বাড়ে ।
২) কাণ্ডে পর্ব ও পর্বমধ্য থাকে ।
৩) পর্ব থেকে শল্কপত্র উৎপন্ন হয় ।
৪) শল্কপত্রের কক্ষে মুকুল থাকে , একে কাক্ষিক মুকুল বলে ।
৫) কাণ্ড ও শাখার শীর্ষে অগ্রমুকুল জন্মায় ।
৬) কাক্ষিক মুকুল থেকে নতুন শাখা ও অগ্রমুকুল থেকে ভৌম পুস্পদন্ড গঠিত হয় ।
৭) স্ফীত কাণ্ডের নীচের দিকে পর্ব থেকে অস্থানিক মূল উৎপন্ন হয় ।

স্ফীত কন্দ কাকে বলে

উদ্ভিদের ভুন্নিম্নস্থ কাণ্ডের পরবের কাক্ষিক মুকুল থেকে শাখাপ্রশাখা উৎপত্তি লাভ করে মাটির নীচে বর্ধিত হয় । কিছুকাল পরে এই শাখার বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং তাদের অগ্রভাগে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য সঞ্চিত হয়ে স্ফীত গোলাকার হয়ে ওঠে । এইরুপ স্ফীত গোলাকার অংশকে স্ফীত কন্দ বা টিউবার বলে । উদাহরণ – আলু

Read More : পর্ণকাণ্ড কি, এর বৈশিষ্ট্য ও কাজ

স্ফীত কন্দের বৈশিষ্ট্য

স্ফীত কন্দের বৈশিষ্ট্য গুলি হল –

১) আলু গাছের কাণ্ড মাটির নীচে সরু সরু শাখাপ্রশাখা উতপন্ন করে সমান্তরালভাবে বাড়ে ।
২) এদের স্পষ্ট পর্ব ও পর্বমধ্য দেখা যায় ।
৩) পর্ব থেকে শল্কপত্র উৎপন্ন হয় ।
৪) স্ফীতকাণ্ডে কোনও মূল থাকে না ।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশুনা করার জন্য আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন

Leave a Comment