জীবাশ্ম জ্বালানী কাকে বলে

আজকে আমরা জীবাশ্ম জ্বালানী কাকে বলে , জীবাশ্ম জ্বালানীর উদাহরণ , জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যাবহার ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করছি ।

জীবাশ্ম জ্বালানী কাকে বলে

জীবাশ্ম জ্বালানী কাকে বলে

বহুকাল আগে ভূমিকম্পের প্রভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণী মাটির গভীরে পাললিক শিলাস্তরে চাপা পড়ে প্রচণ্ড তাপে ও চাপে বিয়োজিত হয়ে কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা খনিজ তেলে পরিণত হয় , এগুলিকে জীবাশ্ম জ্বালানী বলা হয় ।

জীবাশ্ম জ্বালানীর প্রকারভেদ

জীবাশ্ম জ্বালানী সাধারণত তিন প্রকার এর হয়ে থাকে –

১) কয়লা

২) প্রাকৃতিক গ্যাস

৩) খনিজ তেল

জীবাশ্ম জ্বালানীর উদাহরণ –

পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, এল পি জি , সি এন জি, জেট ফুয়েল , কয়লা, বিউটেন, ইথানল, বায়োডিজেল ইত্যাদি ।

জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যাবহার

১) বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাবহার করা হয়

২) রাসায়ানিক সার উৎপাদনে

৩) পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে

৪) জ্বালানী হিসেবে

৫) যন্ত্রপাতি ও যানবাহন এ

আদর্শ জ্বালানী কাকে বলে ?

যেসব জ্বালানী কম দামে , সহজপ্রাপ্য ও মাঝারি মূল্যের জলনাঙ্কের হওয়া প্রয়োজন, এইসব শর্তগুলি পূরণ হলেই তাকে আদর্শ জ্বালানী বলা হয় । এগুলি দহনের ফলে পরিবেশ ও দূষিত হয় না । যেমন – কাঠ, কয়লা ইত্যাদি ।

আরও পড়ুন – ভৌমজলের কার্য ও সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ- দ্বাদশ শ্রেণী দ্বিতীয় অধ্যায়

Leave a Comment