নাতসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

হ্যালো বন্ধুরা, আজকে আমরা নাতসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর গুলি আলোচনা করছি ।

নাতসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

মিউনিখ চুক্তি কবে কাদের মধ্যে সংগঠিত হয়েছিল ?

১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানির মধ্যে মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল । ইতালির মুসোলিনির মধ্যস্ততায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ।

রোম বার্লিন টোকিও অক্ষ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?

১৯৩৭ সালে রোম-বার্লিন-টোকিও অক্ষচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল । ইতালি, জার্মানি ও জাপান এই চুক্তিতে স্বাক্ষরিত করেছিল ।

রুশ জার্মান অনাক্রমণ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে রুশ-জার্মান অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল । রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্ট্যালিন এবং জার্মানির হিটলার এই চুক্তিতে সাক্ষরিত করেছিল ।

মুসোলিনি কে ছিলেন?

মুসোলিনি ছিলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী । তিনি ইতালিতে ফ্যাসিস্ট দলের প্রতিষ্ঠা করেন ।

এই দলের প্রধান উদ্যেশ্য ছিল – ১) বিদেশনীতি গ্রহণের মাধ্যমে ইতালির মর্যাদা বৃদ্ধি করা । ২) কমিউনিস্ট প্রভাব থেকে ইতালিকে রক্ষা করা এবং স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে দেওয়া ।

মুসোলিনি কেন আবিসিনিয়া আক্রমণ করেন?

মুসোলিনি ১৯৩৫ সালে আবিসিনিয়া আক্রমণ করেন । যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইতালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রাধান্য বৃদ্ধির জন্য মুসোলিনি আবিসিনিয়া আক্রমণ করেন ।

হেরেনভক তত্ত্ব’ কি?

বিশ্বে একমাত্র জার্মান রাই বিশুদ্ধ আর্য রক্তের অধিকারী । তাই জাতিগত দিক দিয়ে তারাই শ্রেষ্ঠ । একমাত্র তাদের এই অধিকার রয়েছে বিশ্বের অন্যান্য জাতির ওপর শাসন প্রতিষ্ঠা করা । এই তত্ত্ব হেরেনভক তত্ত্ব নামে পরিচিত ।

জাতিসংঘের ব্যর্থতার দুটি কারণ?

জাতিসংঘের ব্যর্থতার দুটি কারণ হল – ১) ইতালিতে ফ্যাসিবাদ ও জার্মানিতে নাতসিবাদ এর উত্থান । এবং ২) জাতিসংঘের নিজের সামরিক শক্তির অভাব ।

ডি ডে কি?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতালি হেরে গেলে মিত্রশক্তি ফ্রান্সে মিলিত হয়ে জার্মানিকে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেন । ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ৬ ই জুন এই আক্রমণের দিন ঠিক করা হয় । এই দিনটিকেই ডি ডে বলা হয় ।

ভাইমার প্রজাতন্ত্র কি?

জার্মানির সমাজতান্ত্রিক নেতা ফ্রেডারিক এর নেতৃত্বে সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান দল সাময়িক ভাবে একটি প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করেন । বার্লিন এর সামনে ভাইমার শহরে সরকারের কর্মকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এই প্রজাতান্ত্রিক সরকার ‘ভাইমার প্রজাতন্ত্র’ নামে পরিচিত ।

তোষণ নীতি কি?

বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইউরোপের ইতালি, জার্মানি প্রভৃতি একনায়কতান্ত্রিক দেশের আগ্রাসন প্রতিরোধের পরিবর্তে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যে আপস নীতির আশ্রয় নেয়, তাকে তোষণ নীতি বলে ।

আরও পড়ুন –

ভারতীয় অর্থনীতির উপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব আলোচনা করো

(SAARC) সার্ক কি । সার্ক এর উদ্দেশ্য গুলি কি কি

লং মার্চ কি ? মনরো নীতি কি ?

ঠান্ডা যুদ্ধের কারণ ও পটভূমি আলোচনা কর

Leave a Comment