নানা রঙের দিন নাটক প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ & SAQ) ছোট ও বড়

নমস্কার বন্ধুরা, আজকে আমরা নানা রঙের দিন নাটক এর সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর গুলি নিয়ে আলোচনা করছি ।

নানা রঙের দিন নাটক প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ & SAQ) ছোট ও বড়

নানা রঙের দিন নাটক প্রশ্ন ও উত্তর

নানা রঙের দিন নাটক প্রশ্ন ও উত্তর গুলি নীচে আলোচনা করা হল-

নানা রঙের দিন’ নাটকটি কোন মূল নাটকের ভাষান্তর ?

‘নানা রঙের দিন’ নাটকটি ‘ আন্তন চেখভের সােয়ান সং নাটকের ভাষান্তর ।

‘নানা রঙের দিন’ নাটকের প্রম্পটারের নাম কী?

‘নানা রঙের দিন’ নাটকের প্রস্পটারের নাম কালীনাথ সেন ।

‘নানা রঙের নাটকটি’ তে কয়টি চরিত্র রয়েছে ?

নানা রঙের নাটকটি তে দুটি চরিত্র রয়েছে ।

‘নানা রঙের দিন’ নটকে দিলদারের পােশাক পরে কে প্রবেশ করেছিলেন?

‘নানা রঙের দিন’ নাটকে দিলদারের পােশাক পরে মঞ্চে প্রবেশ করেছিলেন বৃদ্ধ অভিনেতা রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়।

“..হল ফাকা, শাজাহান-জাহানারা সব পাত্রপাত্রী ভোর্ভো…”— এসময়ে একমাত্র কাকে মঞ্চে দেখা গিয়েছিল?

অভিনয়ের পর যখন শাজাহান জাহানারাসহ সবাই চলে গিয়েছে তখন এসময়ে একমাত্র দিলদারকেই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল।

গ্রিনরুমে ঘুমোই , গ্রিনরুমে কে ঘুমান?

গ্রিনরুমে কালিনাথ ঘুমোন ।

রজনীবাবু কত বছর বয়স থেকে নাট্যাভিনয় করছেন?

রজনীকান্ত এর বর্তমান বয়স আটষট্টি এবং তিনি যেহেতু পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে নাট্যাভিনয় করেছেন, তাই বলা যায়, তিনি (৬৮-৪৫) বছর, অর্থাৎ ২৩ বছর থেকে নাট্যাভিনয় করছেন।

“আপনার মতাে বয়েস হয়েছে যাদের—আটষট্টিটা বছর”, -তারা কী করেন?

রজনীকান্ডের মতাে আটষট্টি বছর বয়সের লােকেরা সময়মতাে খাওয়াদাওয়া করেন, সকাল-সন্ধে বেড়াতে যান, সন্ধেবেলা কীর্তন শােনেন এবং ভগবানের নাম করেন।

‘নানা রঙের দিন’ নাটকে কালীনাথ সেনের চেহারা ও পােশাক- পরিচ্ছদ কেমন ছিল?

‘নানা রঙের দিন’ নাটকে বৃদ্ধ প্রস্পটার কালীনাথ সেনের পরনে ছিল ময়লা পাজামা, গায়ে কালাে চাদর এবং তাঁর চুল ছিল এলােমেলাে।

“আর একদিন তাকে দেখে মনে হয়েছিল”- কাকে দেখে কি মনে হয়েছিল ?

রজনীকান্ত তার প্রেমিক কে দেখে মনে করেছিল যে সে ভোরের আলোর চেয়েও সুন্দর ।

..এ কথাটা মালিকের কানে তুলবেন না চাটুজ্জেমশাই,”—কোন্ কথা?

শােয়ার জায়গা না থাকায় প্রস্পটার কালীনাথ সেন যে রােজ রাত্রে লুকিয়ে গ্রিনরুমে ঘুমােন- এই কথার প্রসঙ্গ ই বলা হয়েছে ।

‘নানা রঙের দিন’ নাটকে রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় নিজের বংশ পরিচয় নিয়ে কী বলেছিলেন?

বৃদ্ধ রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় ‘নানা রঙের দিন’ নাটকে বলেছেন যে, রাঢ়ের সবচেয়ে প্রাচীন ভদ্র ব্রাহ্মণ বংশে তার জন্ম হয়েছে।

রজনীকান্ত থিয়েটারে আসার আগে কি চাকরি করতেন?

রজনীকান্ত থিয়েটারে আসার আগে পুলিশে চাকরি করতেন ।

নানা রঙের দিন নাটকের প্রম্পটার কলিনাথ সেনের চরিত্র আলোচনা কর?

নাট্যকার অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুদিত নাটক নানা রঙের দিন নাটক এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো কালিনাথ সেন। গভীর রাতে অভিনেতা রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় যখন নেশার ঘোরে মত্ত হয়ে একা মঞ্চেপাগলের মত বকে চলেছেন ঠিক তখনই ময়লা পাজামা পরা কালো চাদর গায়ে এলোমেলো চুলের কালিনাথ সেনের প্রবেশ ঘটে।

     নিজস্ব বাসস্থানহীন কালিনাথ এর ব্যক্তিগত জীবনে রজনীকান্তের মত দুঃখের। কিন্তু সারা জীবনের সমস্ত হতাশা, না পাওয়া, আক্ষেপের সঙ্গে তিনি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। এখানেই হয়তো এই চরিত্র দুটির মধ্যে পার্থক্য। গভীর রাতে নেশাগ্রস্ত হয়ে যখন রজনীকান্তের গলায় হতাশার সুর বেজে উঠেছে, তখন কালিনাথ বাবু থাকে পুরনো দিনগুলোর কথা মনে না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

     কালিনাথ সেন আসলে নাট্যমঞ্চের একজন প্রম্পটার, তিনিও নাটককে জীবনের থেকেও বেশি ভালোবেসেছেন। তার ভালোবাসার কারণেই অনেক সহজেই রজনী বাবুর সঙ্গে তিনি মঞ্চের উপর উঠে নাটকের সংলাপ দক্ষতার সাথে অভিনয় করে তুলেছিলেন।

    কালিনাথ সেনের চরিত্রে এক মানবিকতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে। অবসাদগ্রস্ত রজনীকান্তের অবস্থা বুঝতে পেরে তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি গভীর রাতে রজনী বাবুকে সে বাড়ি পৌঁছে দিতে চেয়েছেন। রজনী বাবুকে অতি নিচে শ্রদ্ধা সহকারে ভালোবাসতেন তা আমরা বুঝতে পারি। নানা রঙের দিন নাটকের প্রধান চরিত্র রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় কে উজ্জ্বল করে তোলার জন্য কালিনাথ সেনের এই পার্শ্ব চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন –

বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়াে প্রশ্ন উত্তর (একাদশ শ্রেণী)

‘জ্ঞানচক্ষু‘ গল্প অনুসরণে তপন চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো

‘শিক্ষার সার্কাস’ একাদশ শ্রেণী (MCQ) ও বড় প্রশ্ন

কর্তার ভূত গল্পের নামকরণের সার্থকতা

‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ ছোট গল্পের নিখিল চরিত্রটি পর্যালোচনা করাে।

Leave a Comment