স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যাবস্থা MCQ & SAQ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ক্লাস 12)

হ্যালো বন্ধুরা, আজকে আমরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান ক্লাস 12 এর অর্থাৎ দ্বাদশ শ্রেণীর রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যাবস্থা অধ্যায়টি থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ছোট ও বড় প্রশ্ন গুলি বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করছি । স্থানীয় শাসনব্যাবস্থা অধ্যায় থেকে পরীক্ষাতে অনেক প্রশ্ন আসে তাই উত্তর গুলি মন দিয়ে পড়ুন ও বন্ধুদের সাথে ও শেয়ার করুন ।

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যাবস্থা MCQ & SAQ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ক্লাস 12)

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যাবস্থা (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ক্লাস 12)

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা বলতে কী বােঝাে?

স্বায়ত্ত শাসন বলতে স্বশাসন বা নিজেদের শাসন কে বোঝায়। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার মূলকথা হল, স্থানীয় অধিবাসীদের দ্বারা জেলা, শহর, গ্রাম প্রভৃতির মতাে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করা। এই শাসন ব্যবস্থায় স্থানীয় মানুষের দ্বারা আঞ্চলিক শাসন পরিচালিত হয়। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থায় নিম্নতর অন্যান্য পর্যায়েও নাগরিকদের স্থানীয় সমস্যা ইত্যাদি সমাধানের চেষ্টা করা হয়।

স্বায়ত্তশাসনের মূল লক্ষ্য কী?

স্বায়ত্তশাসনের মূল লক্ষ্য হল গণতন্ত্রকে বিকশিত করে জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জনগণের ব্যাপক কল্যাণ বা উন্নতিসাধন করা।

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের দুটি গুরুত্ব লেখ ?

(1) নাগরিক চেতনা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। (2) স্বায়ত্তশাসনের ফলে গণতন্ত্রে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের তত্ত্বটির বাস্তবায়ন ঘটে।

প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম রাজনৈতিক সংস্থা কী ছিল?

প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম রাজনৈতিক সংস্থা ছিল গ্রাম ।

পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্বন্ধে ভারতীয় সংবিধানের ৪০ নম্বর ধারায় কী বলা হয়েছে?

ভারতীয় সংবিধানের ৪০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, গ্রাম পঞ্চায়েত সংগঠনের ব্যবস্থা রাষ্ট্রই করবে এবং রাষ্ট্রই গ্রাম পঞ্চায়েত গুলোর হাতে এরূপ ক্ষমতা ও অধিকার অর্পণ করবে, যাতে স্বায়ত্তশাসনের এক-একটি কেন্দ্র রূপে এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি কাজ করতে সক্ষম হয়।

৭৩ তম সংবিধান-সংশােধন আইন কবে প্রণীত হয়?

১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে ৭৩ তম সংবিধান-সংশােধন আইন প্রণীত হয়।

৭৩তম সংবিধান-সংশােধন আইনের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখাে।

৭৩তম সংবিধান-সংশােধন আইনের দুটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল (১) প্রতিটি রাজ্যে ত্রিস্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। (২) পঞ্চায়েতের মােট আসনের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

৭৪ তম সংবিধান-সংশােধন আইন কবে থেকে কার্যকর হয়েছে?

৭৪ তম সংবিধান-সংশােধন আইন ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ ১ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে।

৭৪তম সংবিধান-সংশােধন আইনের দুটি বেশিষ্ট্য লেখাে।

৭৪তম সংবিধান-সংশােধন আইনের উল্লেখযােগ্য দুটি বৈশিষ্ট্য হল (১) শহরাঞ্চলে তিন ধরনের স্থানীয় সরকার যথা নগর পঞ্চায়েত, পৌর পরিষদ, পৌরনিগম গঠনের কথা বলা হয়েছে। (২) পৌরসভার মােট আসনের এক-তৃতীয়াংশ তপশিলি জাতি ও উপজাতির মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংবিধানের ৭৩ তম সংশােধনে গৃহীত পঞ্চায়েত ব্যবস্থার দুটি প্রধান পরিবর্তনের উল্লেখ করাে।

সংবিধানের ৭৩তম সংশােধনে গৃহীত পঞ্চায়েত ব্যবস্থার দুটি প্রধান পরিবর্তন হল (১) রাজ্য আইনসভা আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি গ্রাম স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকায় একটি করে গ্রামসভা গঠন করতে বাধ্য থাকে। (২) ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যার অন্তত এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে সাধারণ মহিলা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি উভয় সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য।

পশ্চিমবঙ্গে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক-টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?

পশ্চিমবঙ্গে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা (১) গ্রামীণ ও (২) পৌর।

পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ক-টি পৌরসভা এবং ক-টি পৌরনিগম রয়েছে?

পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ১২১টি পৌরসভা এবং ৬টি পৌরনিগম রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে কবে প্রথম ত্রিস্তর বিশিষ্ট পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ত্রিস্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রাম পঞ্চায়েত কীভাবে গঠিত হয়?

১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে পঞ্চায়েত আইন অনুসারে, একটি মৌজা বা মৌজার কোনাে অংশ কিংবা পরস্পর সংলগ্ন কয়েকটি মৌজার সমষ্টি অথবা তাদের অংশগুলিকে নিয়ে এক-একটি গ্রাম গঠিত হয়। এক বা একাধিক গ্রাম নিয়ে একটি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠিত হয়। রাজ্য সরকার প্রত্যেকটি গ্রামের নামানুসারে এক-একটি গ্রাম পঞ্চায়েত গঠন করে।

গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় কে সভাপতিত্ব করেন?

গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় সভাপতিত্ব করেন গ্রামপ্রধান।

৭৩তম সংবিধান-সংশােধন আইন অনুযায়ী গ্রাম পঞ্চায়েত তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য কটি আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?

৭৩তম সংবিধান-সংশােধন আইন অনুযায়ী গ্রাম পঞ্চায়েতে তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য মােট সংরক্ষিত আসনের এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

গ্রামপ্রধান কার দ্বারা নিযুক্ত হন?

গ্রামপ্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যদের দ্বারা নিযুক্ত হন।

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা উপপ্রধান কীভাবে নিযুক্ত হন?

নতুন নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রথম সভায় উপস্থিত সদস্যগণ নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে প্রধান এবং একজনকে উপপ্রধান হিসেবে নির্বাচিত করে থাকেন।

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তা কে?

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তা হলেন গ্রাম উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)।

গ্রাম পঞ্চায়েত কীভাবে গঠিত হয়?

১৯৭৩ সালের নতুন পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী কোনো একটি মৌজা বা সেটির কোনো অংশ অথবা পরস্পরের লাগোয়া কয়েকটি মৌজার সমষ্টি বা সেগুলির অংশ নিয়ে একটি গ্রাম পঞ্চায়েত গড়ে ওঠে। এর সদস্যসংখ্যা রাজ্য সরকারের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ঠিক করেন।

গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি প্রধান কাজ উল্লেখ করাে।

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দুটি কাজ হল (১) কূপ, নলকূপ ও পুষ্করিণী খনন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা। (২) রেশনকার্ড বিতরণ ও সরকারি নির্দেশানুযায়ী দরিদ্রদের খাদ্যশস্য বিতরণ করা।

গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি প্রশাসনিক কাজ লেখাে।

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশাসনিক কাজগুলির মধ্যে দুটি উল্লেখযােগ্য হল (১) গ্রাম পঞ্চায়েতের সিল, নথিপত্র ও দলিল দস্তাবেজ প্রভৃতি সংরক্ষণ করা। (২) আর্থিক ও কার্যনির্বাহী প্রশাসন পরিচালনা করা।

গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি অর্পিত কাজের নাম উল্লেখ করাে।

গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি অর্পিত কাজ হল রাস্তায় আলাের ব্যবস্থা করা।

গ্রাম পঞ্চায়েতের সভা কখন হয়?

গ্রাম পঞ্চায়েতের সভা প্রতি মাসে অন্তত একবার সম্পাদিত হয়।

গ্রাম পঞ্চায়েতের বিচারবিভাগীয় সংস্থা কোনটি?

গ্রাম পঞ্চায়েতের বিচারবিভাগীয় সংস্থাটি হল ন্যায় পঞ্চায়েত।

গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজেট কে অনুমােদন করে?

গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজেট অনুমােদন করে পঞ্চায়েত সমিতি।

গ্রাম সংসদ কী?

১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৭৩ তম সংবিধান-সংশােধনী আইন। অনুসারে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচনি এলাকার সকল ভােটদাতাদের নিয়ে গ্রাম সংসদ গঠিত হয়।

গ্রাম সংসদের প্রধান কাজ কী?

গ্রাম সংসদের প্রধান কাজ হল কোন কোন প্রকল্প গ্রামের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রাধান্য পাবে, তা নির্ধারণ করার জন্য প্রয়ােজনীয় নীতি নির্ধারণ করা।

গ্রাম সংসদের সভায় সভাপতিত্ব করেন কে?

গ্রাম সংসদের সভায় সভাপতিত্ব করেন গ্রামপ্রধান। যদি কোনাে কারণবশত গ্রামপ্রধান অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে উপপ্রধান গ্রাম সংসদের সভায় সভাপতিত্ব করে থাকেন।

গ্রামসভা কাকে বলে?

প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সমস্ত ভােটারদের নিয়ে যে সভা গঠিত হয়, তাকে গ্রামসভা বলা হয়।

গ্রামসভা কাদের নিয়ে গঠিত?

প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সকল ভােটদাতাকে নিয়ে গ্রামসভা গঠিত।

গ্রাম পঞ্চায়েতের আয়ের দুটি উৎস লেখাে।

গ্রাম পঞ্চায়েতের আয়ের উল্লেখযােগ্য দুটি উৎস হল (১) কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান। (২) জমি ও ঘরবাড়ির উপর আরােপিত খাজনা বা কর থেকে আদায় করা অর্থ।

ন্যায় পঞ্চায়েত বলতে কী বােঝাে?

ন্যায় পঞ্চায়েত হল একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন অনুসারে ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে সরকারের অনুমােদন অনুসারে গ্রাম পঞ্চায়েত একটি ন্যায় পঞ্চায়েত গঠন করতে পারে। গ্রাম স্তরে ছােটোখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাগুলির নিষ্পত্তির জন্য ন্যায় পঞ্চায়েত গঠন করা হয়।

ন্যায় পঞ্চায়েতের এক্তিয়ারকে ক-টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?

ন্যায় পঞ্চায়েতের এক্তিয়ারকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এই ভাগগুলি হল (১) দেওয়ানি এক্তিয়ার, (২) ফৌজদারি এক্তিয়ার।

পঞ্চায়েত সমিতির পূর্বে কী নাম ছিল?

পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ব নাম ছিল আঞ্চলিক পরিষদ।

পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকালের মেয়াদ কত?

পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকালের মেয়াদ ৫ বছর ।

পঞ্চায়েত সমিতি কাদের নিয়ে গঠিত?

পঞ্চায়েত সমিতি গঠিত হয়— (১) ব্লকের অন্তর্গত প্রতিটি গ্রাম থেকে নির্বাচিত অনধিক ৩ জন সদস্য দ্বারা। (২) ব্লকের অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের নিয়ে। (৩) ব্লক এলাকায় বিধানসভা ও লোকসভার নির্বাচিত সদস্য দ্বারা (মন্ত্রীরা বাদে)। (৪) ব্লক এলাকায় বসবাসকারী রাজ্যসভার সদস্যবৃন্দ দ্বারা। (৫) ব্লক এলাকায় নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ দ্বারা।

পঞ্চায়েত সমিতির প্রধান কর্মকর্তা কে?

পঞ্চায়েত সমিতির প্রধান কর্মকর্তা হলেন সভাপতি ।

পঞ্চায়েত সমিতির দুটি স্থায়ী সমিতির বা কমিটির নাম লেখাে।

পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতি গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি স্থায়ী সমিতি হল (১) কৃষি, সেচ ও সমবায় স্থায়ী সমিতি এবং (২) বন ও ভূমি সংস্কার স্থায়ী সমিতি।

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড়াে মহকুমা কানটি?

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড়াে মহকুমা হল ব্যারাকপুর মহকুমা।

মেয়র কাকে বলে?

মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের প্রধানকে মেয়র বলা হয়।

মেয়রের সাধারণ কার্যকালের মেয়াদ কত বছর?

মেয়রের সাধারণ কার্যকালের মেয়াদ ৫ বছর।

মেয়র কে কে নির্বাচন করেন?

নির্বাচিত কাউন্সিলাররা কর্পোরেশনের প্রথম সভায় নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে মেয়র হিসেবে নির্বাচন করে থাকে।

মেয়রের দুটি কাজ লেখাে।

মেয়রের উল্লেখযােগ্য দুটি কাজ হল (১) স পরিষদ মেয়রের সভার আলােচ্য বিষয়সূচি গুলি নির্ধারণ করে দেওয়া। (২) স-পরিষদ মেয়রের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করা মেয়রের আর-একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

খুদে জেলাশাসক কাকে বলা হয়?

খুদে জেলাশাসক মহকুমা শাসককে বলা হয় (SDO)।

কলকাতা কর্পোরশনের মােট সদস্য সংখ্যা কত?

কলকাতা কর্পোরেশনের মােট সদস্য সংখ্যা হল ১৫০।

কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সভায় কে সভাপতিত্ব করেন?

কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি।

স-পরিষদ মেয়র কাদের নিয়ে গঠিত হয়?

স-পরিষদ মেয়র গঠিত হয় (১) একজন মেয়র , (২) একজন ডেপুটি মেয়র এবং (৩) কর্পোরেশনের অনধিক ১০ জন নির্বাচিত সদস্যকে নিয়ে।

কলকাতা কর্পোরেশনে বর্তমানে কত জন কাউন্সিলার রয়েছেন?

বর্তমানে কলকাতা কর্পোরেশন বা পৌরনিগমে ১৪৪ জন কাউন্সিলার রয়েছেন।

কলকাতা পৌরনিগমের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?

১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন নতুন আইনকে অনুসরণ করে প্রথম কলকাতা পৌরনিগমের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পৌরসভায় ওয়ার্ড কাকে বলা হয়?

পৌরসভায় প্রতিটি নির্বাচনি এলাকাকে এক-একটি ওয়ার্ড বলা হয়।

ওয়ার্ড কমিটি কী?

বর্তমানে পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত দুটি কমিটির একটি ওয়ার্ড কমিটি। তিন লক্ষ বা তার অধিক জনসংখ্যাবিশিষ্ট অঞ্চলের এক বা একাধিক ওয়ার্ড নিয়ে এই কমিটি গঠিত হয়। ওয়ার্ড কমিটিতে সর্বনিম্ন ৭ জন ও সর্বাধিক ১৭ জন সদস্য থাকতে পারে। এই কমিটি গঠনের ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত পৌরসভা গ্রহণ করে। সাধারণত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হন।

আরও পড়ুন –

লোকসভা এবং রাজ্যসভার মধ্যে পার্থক্য

Leave a Comment